শুভ মহালয়া ১০ অক্টোবর ২০২৬ · ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ · আশ্বিন অমাবস্যা

Search

আশ্রমের website-এ খুঁজুন

অন্তত দুটি অক্ষর লিখুন।

    খালি তালপাতার পাতা ও রাতের আকাশে ওঠা আলোর মালা
    শ্রী মীনানন্দ ফাউন্ডেশনের জন্য তৈরি ব্যাখ্যামূলক চিত্র।

    গুহ্য জ্ঞান

    শব্দকোষ

    ফিরে ফিরে আসা সংস্কৃত ও পাঠশব্দের সরল সংজ্ঞা।

    গুহ্য জ্ঞান আশ্রমের উন্মুক্ত পাঠাগার। এখানে তন্ত্র, চেতনা ও ভারতীয় আধ্যাত্মিক চিন্তা নিয়ে পড়ুন।

    আচার (Ācāra)
    আচরণ, পালন বা সাধনার রীতি; শ্রেণি গ্রন্থভেদে ভিন্ন।
    আগম (Āgama)
    “যা নেমে এসেছে”; প্রকাশিত শাস্ত্র বা শাস্ত্রশ্রেণি, বিশেষত শৈব, শাক্ত ও বৈষ্ণব পরিসরে।
    আম্নায় (Āmnāya)
    সঞ্চার, পবিত্র স্রোত বা দিকগত প্রকাশ; প্রায়ই বংশনির্দিষ্ট প্রকল্পে ব্যবহৃত।
    ভৈরব (Bhairava)
    শিবের উগ্র ও অতিক্রান্ত রূপ/নাম, কয়েকটি তান্ত্রিক পরম্পরার কেন্দ্রে।
    ভক্তি (Bhakti)
    ভক্তি, দিব্যের সঙ্গে প্রেমময় অংশগ্রহণ বা সম্পর্ক।
    ভগবদ্গীতা (Bhagavad Gītā)
    মহাভারতে কৃষ্ণ-অর্জুন সংবাদ, প্রায়ই গীতা বা Geeta; ধর্ম, কর্মযোগ, জ্ঞান ও ভক্তির শিক্ষা।
    বীজ (Bīja)
    “বীজ”; দেবতা বা শক্তির সঙ্গে যুক্ত সংক্ষিপ্ত মন্ত্রাক্ষর। অনেক ব্যবহার দীক্ষানির্দিষ্ট।
    চক্র (Chakra)
    চাকা, বৃত্ত বা কেন্দ্র; সূক্ষ্মদেহ মানচিত্রে কয়েকটি সম্ভাব্য পদ্মসদৃশ কেন্দ্রের একটি। ব্যবস্থা ভিন্ন।
    দর্শন (Darśana)
    পবিত্রকে দেখা ও দেখা হওয়া; দার্শনিক দৃষ্টি বা মতও।
    দেবী (Devī)
    দেবী; “দীপ্ত/দিব্য সত্তা।”
    দীক্ষা (Dīkṣā)
    দীক্ষা বা অভিষেক যা সাধকের পথের সম্পর্ককে অধিকার দেয় ও রূপান্তর করে।
    গুরু (Guru)
    আধ্যাত্মিক ভার বা কর্তৃত্বের শিক্ষক; ভূমিকা নৈতিক জবাবদিহি তুলে দেয় না।
    গুহ্য (Guhya)
    লুকানো, গোপন, অন্তরস্থ, রক্ষিত বা গূঢ়।
    জ্ঞান (Jñāna)
    জ্ঞান, অন্তর্দৃষ্টি বা মুক্তিদায়ী বোধ।
    ইতিহাস (Itihāsa)
    “এমনই ঘটেছিল”; রামায়ণ ও মহাভারতকে ধারণ করা পবিত্র আখ্যানশ্রেণি।
    কৌল (Kaula)
    *কুল* (“পরিবার,” “সমগ্রতা,” “দেহধারী দল”) এর সঙ্গে যুক্ত তান্ত্রিক স্রোতের বিস্তৃত পরিবার, উৎসভেদে ভিন্ন ব্যাখ্যা।
    কালীকুল (Kālīkula)
    কালী ও সংশ্লিষ্ট রূপকে কেন্দ্র করা দেবীপরম্পরার পরিবার।
    কুণ্ডলিনী (Kuṇḍalinī)
    “কুণ্ডলীকৃত”; যোগিক ও তান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভিন্নভাবে বর্ণিত রূপান্তরকারী শক্তি।
    মণ্ডল (Maṇḍala)
    অনুষ্ঠান ও ধ্যানে ব্যবহৃত গঠিত পবিত্র ক্ষেত্র, বৃত্ত, অধিক্ষেত্র বা চিত্র।
    মহাভারত (Mahābhārata)
    ভরতবংশ, কুরুক্ষেত্রে পাণ্ডব-কৌরব যুদ্ধ এবং ভগবদ্গীতা ধারণ করা সংস্কৃত ইতিহাস।
    মন্ত্র (Mantra)
    নির্দিষ্ট পরম্পরায় ব্যবহৃত অভিষিক্ত ধ্বনিরূপ, অক্ষর, নাম, বাক্য বা শ্লোক।
    মুদ্রা (Mudrā)
    মুদ্রা, ইঙ্গিত বা দেহগঠন; অর্থ শিল্প ও অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গে নির্ভর করে।
    নাড়ি (Nāḍī)
    সূক্ষ্মদেহ মানচিত্রের প্রণালী; স্নায়ু বা রক্তনালীর অভিন্ন নয়।
    ন্যাস (Nyāsa)
    অনুষ্ঠানিক “স্থাপন” বা বসানো, প্রায়ই দেহে মন্ত্র বা দেবতাংশ; বিস্তারিত ক্রম নিষিদ্ধ হতে পারে।
    পাঞ্চরাত্র (Pāñcarātra)
    নারায়ণ/বাসুদেব পূজার সঙ্গে যুক্ত প্রধান বৈষ্ণব শাস্ত্র ও অনুষ্ঠানপরম্পরা।
    পাণ্ডব (Pāṇḍava)
    পাণ্ডুর পুত্র বা বংশধর। পঞ্চপাণ্ডব যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন, নকুল ও সহদেব।
    পদ্ধতি (Paddhati)
    পূজার প্রথাগত ক্রম বা নির্দেশগ্রন্থ (পূজা পদ্ধতি)। দেবতা, অঞ্চল ও বংশভেদে ভিন্ন; এই সাইট ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানধাপ উদ্ভাবন করে না।
    প্রাণ (Prāṇa)
    জীবনশ্বাস বা প্রাণপ্রক্রিয়া; অর্থ সাধারণ শ্বাসক্রিয়ার বাইরেও যায়।
    প্রত্যভিজ্ঞা (Pratyabhijñā)
    চেনা; বিশেষত চেতনার সর্বজনীন স্বভাব চেনার অদ্বৈত শৈব দর্শনের সঙ্গে যুক্ত।
    পূজা (Pūjā)
    দিব্য উপস্থিতির প্রতি অর্পণ, মনোযোগ ও আতিথেয়তার মধ্য দিয়ে পূজা।
    পুরাণ (Purāṇa)
    সৃষ্টিতত্ত্ব, বংশতালিকা, পবিত্র স্থান, দেবতা ও ভক্তি নিয়ে সংস্কৃত আখ্যান ও ধর্মগ্রন্থের বিস্তৃত শ্রেণি।
    রামায়ণ (Rāmāyaṇa)
    রাম, সীতা, লক্ষ্মণ, হনুমান ও রাবণের ইতিহাস; বাল্মীকির সংস্কৃত কাব্য অনেক কথনের শাস্ত্রীয় সাহিত্যিক উৎস।
    সাধনা (Sādhana)
    সিদ্ধি বা ধর্মলক্ষ্যে মুখ করা শাসিত চর্চা।
    সহদেব (Sahadeva)
    মহাভারতে পঞ্চপাণ্ডবের কনিষ্ঠ, নকুলের যমজ; এই ওয়েবসাইটের শিক্ষামূলক পথপ্রদর্শকের নামও, সেই বিবেকী চরিত্র থেকে নেওয়া।
    সম্প্রদায় (Sampradāya)
    সঞ্চারিত ধর্মসম্প্রদায়, শিক্ষাবংশ বা পরম্পরা।
    শৈব (Śaiva)
    শিব বা শৈব পরম্পরা সংক্রান্ত।
    শাক্ত (Śākta)
    শক্তি/দেবী বা দেবীপরম্পরা সংক্রান্ত।
    শক্তি (Śakti)
    ক্ষমতা, সামর্থ্য বা দিব্য শক্তি; শাক্ত পরম্পরায় পরম সত্তা হিসেবে দেবীও।
    শ্রীচক্র (Srichakra)
    শ্রীবিদ্যার কেন্দ্রীয় পবিত্র চিত্র; সাধারণ সাজসজ্জার জ্যামিতি নয়।
    শ্রীকুল (Śrīkula)
    শ্রী/ত্রিপুরসুন্দরীমুখী দেবীপরম্পরা, বিস্তৃত শ্রেণিতে প্রায়ই কালীকুলের বিপরীতে বলা হয়।
    সিদ্ধি (Siddhi)
    সিদ্ধি, পূর্ণতা বা অসাধারণ সামর্থ্য; শক্তিঅন্বেষণ নৈতিক ও আধ্যাত্মিকভাবে বিতর্কিত।
    তন্ত্র (Tantra)
    প্রসঙ্গে শাস্ত্র, ব্যবস্থা, মত, অথবা এই সংকলনে আলোচিত পরম্পরার বিস্তৃত পরিবার।
    তত্ত্ব (Tattva)
    নীতি, সত্তাশ্রেণি বা উপাদান যা প্রকাশ ও অভিজ্ঞতা ম্যাপ করে।
    উপনিষদ (Upaniṣad)
    পরম সত্তা, আত্মা, জ্ঞান, মৃত্যু, অনুষ্ঠানের অন্তরীকরণ, ভক্তি ও পরবর্তী যোগধারণা নিয়ে বৈচিত্র্যময় গ্রন্থদেহ। একক গণনা নেই: পারম্পরিক তালিকায় ১০৮; মুখ্য দল প্রায় দশ থেকে তেরো সবচেয়ে বেশি পড়ানো হয়।
    বজ্রযান (Vajrayāna)
    “হীরক/বজ্রযান”; তান্ত্রিক বৌদ্ধ পথের বিস্তৃত নাম, অভ্যন্তরে বৈচিত্র্যময়।
    বেদ (Veda)
    প্রাচীন, স্তরিত সংস্কৃত প্রকাশ। বেদ চারটি: ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ, সামবেদ ও অথর্ববেদ, প্রতিটির সঙ্গে সংহিতা, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক ও উপনিষদ স্তর।
    যন্ত্র (Yantra)
    যন্ত্র বা পবিত্র চিত্র যার পরিচয় নির্দিষ্ট দেবতা, গ্রন্থ ও ব্যবহারের।